আজ থেকে ফের চালু মেডিক্যালের সব আউটডোর, হবে রোগী ভর্তিও

আজ থেকে ফের চালু মেডিক্যালের সব আউটডোর, হবে রোগী ভর্তিও
আজ থেকে ফের চালু মেডিক্যালের সব আউটডোর, হবে রোগী ভর্তিও

এখনই খুলছে না ইমার্জেন্সি

 মাসখানেক আগে কোভিড হাসপাতাল ঘোষিত হওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের আউটডোর। আজ, সোমবার সকাল থেকে যথাসময়ে শুরু হচ্ছে যাবতীয় আউটডোর পরিষেবা। রোগীদের ভর্তিও করা হবে আউটডোর থেকেই। তবে কোভিড ছাড়া সাধারণ রোগীদের জন্য ইমার্জেন্সি পরিষেবা এখনই চালু হচ্ছে না। রবিবার এমনই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, মেডিক্যালের আউটডোর বন্ধ থাকায় সাধারণ রোগীদের দুর্গতি বাড়ছিল। রক্ত, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার এবং থ্যালাসেমিয়া রোগীদের ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। সূত্রের খবর, সরকারি নির্দেশমতো ৭ মে থেকে কোভিড হাসপাতাল হিসেবে কাজ শুরু করে দেয় মেডিক্যাল। ৬ জুন পর্যন্ত এক মাসে ৯৫০ জন করোনা ও শ্বাসকষ্টের রোগী ভর্তি হয়েছে এখানে। ইতিমধ্যেই ৫৪২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ৯২ বছরের এক কোভিড আক্রান্ত বৃদ্ধও ভর্তি আছেন এখানে। মেডিক্যাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ এখানকার আউটডোরে ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীদের পিপিই পরে দেখবেন, পরীক্ষা করবেন। যাঁদের ভর্তি প্রয়োজন লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে দু’দিন বাদে হাসপাতালে আসতে বলা হবে। পজিটিভ হলে সেই ব্যক্তি চলে যাবেন কোভিড ওয়ার্ডে। নেগেটিভ হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তি হবেন।
আ‌঩ইডি সূত্রের খবর, এদিন বিকেল পর্যন্ত আনুমানিক ৬০ জন করোনা পজিটিভ রোগী ভর্তি ছিলেন। কিডনির জটিল অসুখে আক্রান্ত এক করোনা পজিটিভ মহিলা লেকটাউনের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন। সম্প্রতি তাঁকে আইডিতে ভর্তি করা হয়েছিল। শনিবার গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বাড়ি বাগুইআটি এলাকায়। টালিগঞ্জের এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভর্তি ছিলেন ১৩৩ জন রোগী। তার মধ্যে ১১২ জনই করোনা আক্রান্ত। ২১ জন তীব্র শ্বাসকষ্টের রোগী।
এদিকে টেস্টের জন্য পাঠানো বহু রিপোর্ট বকেয়া থাকায় সমস্যায় পড়েছে বাঙ্গুর। এখান থেকে রোগীদের পাঠানো লালারসের নমুনা পরীক্ষা হয় পিজি হাসপাতালে। অন্যদিকে, রবিবার দুপুরে প্রায় ৪০-৪৫ মিনিটের টানা বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন করোনা হাসপাতালে জল জমায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। এদিন ৯০ বছরের এক বৃদ্ধা হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা পর্বে ইনিই সব থেকে বয়স্ক যিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন।