করোনা সংক্রামিত স্ত্রী সপরিবারে হোম কোয়ারেন্টাইনে ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন

করোনা সংক্রামিত স্ত্রী সপরিবারে হোম কোয়ারেন্টাইনে ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন
করোনা সংক্রামিত স্ত্রী সপরিবারে হোম কোয়ারেন্টাইনে ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন

সপরিবারে হোম কোয়ারেন্টাইনে গেলেন রাজ্যের ক্রীড়াদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তাঁর স্ত্রী স্বাস্থ্যদপ্তরের আমলা স্মিতা শুক্লা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তিনি, স্ত্রী, দুই সন্তান ও তাঁর বাবা হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন বলে শনিবার এক ট্যুইট বার্তায় জানিয়েছেন লক্ষ্মী। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্যদপ্তরের উপসচিব এবং জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন শাখার প্রোগ্রাম অফিসার হিসেবে গত চার মাস ধরে স্ত্রী অবিরত পরিশ্রম করে গিয়েছেন। শুক্রবার করোনা পরীক্ষায় স্ত্রীর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তিনি এবং পরিবারের সদস্যরা শীঘ্রই করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন।
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রের খবর, সাধারণ কর্মী ছাড়াও স্মিতাদেবী সহ স্বাস্থ্যভবনের বহু অফিসার বর্তমানে করোনা-আক্রান্ত। কর্মী-অফিসার মিলিয়ে সংখ্যাটি প্রায় কুড়ির আশপাশে। এদিকে, কসবা থানার চার পুলিসকর্মীর করোনা ধরা পড়েছে। শিয়ালদহ ডিআরএম অফিসের এক কর্মীর রোগ ধরা পড়ায় শুক্রবার থেকে অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিন অফিস জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে। আজ রবিবারও এই পর্ব চলবে। আগামী সপ্তাহে অফিস খুলে দেওয়া হবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। শনিবার রাতে প্রকাশিত স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিনে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৩৪৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে উপসর্গ না থাকলে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা এবং সেক্ষেত্রে প্রত্যেক রোগীকে পালস অক্সিমিটার দেওয়ার (শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে) প্রস্তাব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের মত, পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ। বাড়িতে আইসোলেশনে থাকা রোগীরা খুব সহজেই বিপদ বুঝতে পারবেন এবং শুধুমাত্র তখনই তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা সম্ভব হবে। অহেতুক নন ইমার্জেন্সি পরিস্থিতিতে করোনা রোগীদের ভর্তি করিয়ে বেড আটকে থাকার ঘটনা ঘটবে না। যদিও এই প্রস্তাব নিয়ে এখনও সহমত নন দপ্তরের পদস্থ কর্তারা। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী বলেন, কে, কীভাবে পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করবে, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। এখনও এ বিষয়ে আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি।
এদিকে শুধুমাত্র করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র থেকেই নন, বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের ফিভার ক্লিনিকে আসা রোগীদের মধ্যে থেকে উপসর্গ থাকা মানুষজনের মধ্যে করোনা পজিটিভ হওয়ার হার বাড়ছে।