পিজি’র চিকিৎসকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মমতা 

পিজি’র চিকিৎসকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মমতা 

পিজি ডাক্তারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে পিজি’র ট্রমা সেন্টারে ভর্তি মন্ত্রী জাকির হোসেনকে দেখতে গিয়েছিলেন মমতা। সেখানেই নাম ধরে ট্রমা সেন্টারের ডাক্তারদের ও পিজি’র প্রশাসকদের প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, ওঁরা খুব করেছেন। জাকিরের দু’টি অপারেশন হয়েছে। এদিন ওঁকে উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৬ নম্বর বেডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ট্রমা সেন্টার হওয়ার জন্য রাজ্যের অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচছে।
এদিন করোনা নিয়ে সর্তকতা শোনা গিয়েছে মমতার গলায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জাকিরের অনুগামীদের বলব, মুর্শিদাবাদের যাঁরা ভর্তি আছেন, তাঁদের বাড়ির লোকজনদেরও বলছি, সতর্ক থাকবেন। ছোঁয়াছুঁয়ি যাতে না হয় দেখবেন। করোনা একটু একটু করে বাড়ছে। এই ঘটনায় আহত নয়-দশ বছরের এক কিশোর যাতে আর একটু সুস্থ হলেই মায়ের সঙ্গে থাকতে পারে, সেজন্যও মুখ্যমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টা নাগাদ মমতা পিজিতে যান। সঙ্গে ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বর্তমানে পিজি’র ট্রমা সেন্টারের আটতলায় ভর্তি আছেন বোমার আঘাতে অসুস্থ মন্ত্রী জাকির। তাঁকে দেখার পাশাপাশি অসুস্থ অন্যদের সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। মোট ১৪ জন এখানে ভর্তি আছেন। তাঁদের মধ্যে দু’জনকে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আহত মন্ত্রীকে হাসপাতালে আনার পর টানা দু’টি ধাপে প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার করা হয়। বোমার আঘাতে তাঁর হাতের একটি আঙুলের ডগা উড়ে গিয়েছিল। পায়ের চামড়াও বিভিন্ন জায়গায় উঠে গিয়েছিল। তাঁর চিকিৎসায় গঠিত ১১ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডের এক সদস্য বলেন, মন্ত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি অনেকটাই স্থিতিশীল। তবে এখনও সম্পূর্ণ বিপন্মুক্ত তাঁকে বলা যায় না