বাংলাদেশ থেকে এল ২০ টন ইলিশ, আজই মিলবে বাজারে

বাংলাদেশ থেকে এল ২০ টন ইলিশ, আজই মিলবে বাজারে

 দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। সোমবার সন্ধ্যায় পেট্রাপোল সীমান্ত টপকে এরাজ্যে ঢুকে পড়ল পদ্মা-মেঘনার রুপোলি ফসল। আজ, মঙ্গলবার বিকেল থেকে কলকাতার বিভিন্ন বাজারে দেখা মিলবে বাংলাদেশের ইলিশের। আগামী এক মাস এভাবেই আমদানি হবে লরি লরি ইলিশ। এদিনই তার সূত্রপাত ঘটল। সন্ধ্যায় পেট্রাপোল সীমান্তে ইলিশ বোঝাই গাড়ি ঢুকতেই ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ— সকলের মুখেই হাসি ফুটে ওঠে। তবে এই ইলিশের দর খুচরো বাজারে কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বর্ষায় বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীতে রুপোলি শস্যের বান ডাকলেও এপার বাংলার মানুষ শুধু অপেক্ষার প্রহর গুনেছেন। কারণ, জল-চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েনের পর থেকেই ওপারের ইলিশের অবাধ যাতায়াত কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। গত বছর পুজোর ঠিক আগে বাংলাদেশ সরকার ৫০০ টন ইলিশ পাঠাতে রাজি হয়েছিল। এবার বাংলাদেশ সরকার প্রায় দেড় হাজার টন ইলিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত এই ইলিশ রপ্তানির সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রক। তবে দাম যাই হোক না কেন, ইলিশ প্রেম থেকে বঞ্চিত হতে চায় না মাছে-ভাতে বাঙালি। তাই হামলে পড়ে পদ্মা, মেঘনা বা কর্ণফুলির ইলিশ কিনবেন এরাজ্যের মানুষ, তা বলাই বাহুল্য।
ফিস ইমপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, এদিন মোট চারটি লরিতে ২০ টন ইলিশ ঢুকেছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই এই ইলিশ মিলবে কলকাতার খুচরো বাজারে। এগুলি ৫০০ গ্রাম থেকে এক কেজি সাইজের। পাইকারি বাজারে দাম উঠবে ৭০০ থেকে ১,২০০ টাকা অবধি।