সংক্রমণে রাশ টানতে এবার লকডাউনের পথে হাঁটল ওড়িশা এবং হরিয়ানা সরকার

সংক্রমণে রাশ টানতে এবার লকডাউনের পথে হাঁটল ওড়িশা এবং হরিয়ানা সরকার

প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ওড়িশায়। সংক্রমণে রাশ টানতে এবার লকডাউনের পথে হাঁটল নবীন পট্টনায়েকের সরকার। আগামী ৫ মে বিকেল পাঁচটা থেকে ১৯ মে বুধবার ভোর পাঁচটা পর্যন্ত লকডাউন চলবে রাজ্যে। তবে একান্ত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে বাড়ির ৫০০ মিটারের মধ্যে বাজারে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে সাধারণ মানুষের। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ৪১৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন ওড়িশাতে। সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও ৬১ হাজার ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে লকডাউন জারি করতে বাধ্য হয় নবীন পট্টনায়েকের প্রশাসন। এই ১৪ দিন স্বাস্থ্যকর্মী এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের চলাফেরায় কোনও বিধিনিষেধ জারি করা হয়নি। সেইসঙ্গে মালবাহী গাড়ি চলাচলের উপরও কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। পট্টনায়েক ট্যুইটারে লিখেছেন, দেশে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা চলছে। একের পর রাজ্য ও শহরে স্বাস্থ্য পরিষেবায় ধাক্কা খেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। 
ওড়িশার পথে হেঁটে এক সপ্তাহের জন্য পুরোপুরি লকডাউনের পথে হাঁটল হরিয়ানা সরকার। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনিল ভিজ বলেন, আজ, ৩ মে থেকে আগামী ১০ মে সকাল পাঁচটা পর্যন্ত এই লকডাউন চলবে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে ভূস্বর্গেও। সেখানে সংক্রমণে রাশ টানতে জারি হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। সেখানে ৮৪ ঘণ্টার জন্য লকডাউন জারি করেছে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন। জরুরি পরিষেবা ছাড়া দোকান-বাজার বন্ধ রয়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া মানুষের চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। জম্মুতেও একই বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে শ্রীনগর, অনন্তনাগ , সোপিয়ান, বারামুলা, পুলওয়ামা, বদগাঁও, কুলগাঁও, উধমপুর গান্ধরবল, জম্মু, কাঠুয়া জেলায় লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। অন্যদিকে সাম্বা, পুঞ্চ, রাজৌর, কুপওয়ারা, বান্দিপোরা, ডোডা, কিস্তোওয়ার এবং রামবান জেলায় শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে লকডাউন জারি হয়েছে। এদিকে সংক্রমণের বাড়বাড়ান্তের জেরে লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানালেন গোয়া বিধানসভার বিরোধী দলনেতা দিগম্বর কামাথ। উপকূলীয় এই রাজ্যে আচমকাই সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছিল। রবিবার কামাথ বলেন, বর্তমানে রাজ্যের পরিস্থিতি বিচার করে লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ানো উচিত। পাশাপাশি সংক্রমণে লাগাম টানতে টাস্ক ফোর্স এবং সেনা নামানোর কথাও বলেন তিনি।