স্টিভ স্মিথকে সমস্যায় ফেলার টোটকা শচীনের

স্টিভ স্মিথকে সমস্যায় ফেলার টোটকা শচীনের

অপ্রচলিত টেকনিক। বলা ভালো, ব্যাকরণ বহির্ভূত। টেস্ট ক্রিকেটের আভিজাত্যের সঙ্গে যা একেবারেই মানানসই নয়। সীমিত ওভারের ক্রিকেটের দাপাদাপিতে এখন অনেক তারকা ব্যাটসম্যানই কপিবুক শিকেয় তুলে রেখেছেন। অন্যতম উদাহরণ অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ। যাঁকে আনঅর্থোডক্স আখ্যা দিয়েছেন ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ শচীন তেন্ডুলকর। আসন্ন টেস্ট সিরিজে মহম্মদ সামি-যশপ্রীত বুমরাহদের জন্য তাঁর পরামর্শ, বিপক্ষে স্মিথ থাকলে পঞ্চম অফ স্টাম্প আন্দাজ বল করতে হবে। নেট প্র্যাকটিসে এই স্ট্র্যাটেজি আয়ত্ত করে ফেলা উচিত।
ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বলেন, ‘স্মিথ বেশি শাফল করে। অফ স্টাম্পের চার থেকে পাঁচ ইঞ্চি বাইরে থেকে বল মুভ করলেই ও সমস্যায় পড়বে। শর্ট পিচ বলের জন্য অপেক্ষা করা স্মিথের স্বভাব। কিন্তু অফ স্টাম্পের বাইরে ডেলিভারি সামলাতে ওর অসুবিধা হয়। ভারতীয় বোলারদের উচিত এই সুযোগ কাজে লাগানো।’ পরিসংখ্যান বলছে, ভারতের বিরুদ্ধে সফল স্টিভ স্মিথ। বল বিকৃতি কাণ্ডে নির্বাসিত থাকার ফলে ২০১৮-১৯ সিরিজে তিনি খেলতে পারেননি। তাঁর অভাব হাড়েহাড়ে টের পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।
শচীনের মতে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কতটা বল স্যুইং করবে তার উপর নির্ভর করছে ভারতীয় বোলারদের সাফল্য। বলে লালারস ব্যবহার করা যাবে না। উইকেটে প্রাণ থাকলে সুবিধা পাবে বোলাররা। ভারতের বোলিং আক্রমণে রয়েছেন যশপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ শামি, ইশান্ত শর্মা ও উমেশ যাদব। শচীন বলছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা বোলিং লাইন আপ এবারের দলে । প্রতিপক্ষের ২০টি উইকেট তুলে নিতে পারলে জয় নিশ্চিত। এরমধ্যেও একজন ডিফেন্সিভ বোলারকে চিহ্নিত করতে হবে। যে বিপক্ষের রানকে আটকে রেখে চাপ তৈরি করবে।’
১৭ ডিসেম্বর অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত হবে পিঙ্ক বল টেস্ট। লিটল মাস্টারের ধারণা, ‘শিশির একটা ফ্যাক্টর। সময় অনুযায়ী এর মাত্রা বাড়ে বা কমে। দিনের প্রথম সেশনে দ্রুত রান তুলে নিতে পারলে দুপুরে পিচ ফ্ল্যাট হয়ে যায়। তবে গোধূলিতে গোলাপি বল ভালো মুভ করে। ফলে দিনের শেষ ঘণ্টায় দুই বা তিনটি উইকেট তুলে নিতে পারলে বিপক্ষ চাপে পড়ে যাবে।’
ভারতের ওপেনিং জুটি কী হতে পারে? এই প্রসঙ্গে শচীন বলেন, ‘মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ব্যাপারে কোনও সংশয় নেই। রোহিত না খেললে পৃথ্বী সাউ ও লোকেশ রাহুলের মধ্যে একজন শুরু করবে। অস্ট্রেলিয়ার স্মিথ, ওয়ার্নার, লাবুশানে অবশ্যই ফ্যাক্টর। তবে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি ধরে রাখার ক্ষমতা রয়েছে ভারতের।’