১৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ

১৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ

 করোনার কারণে দু’মাস পিছিয়ে গেল রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া। প্রতিবার সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই কাজ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এবছর রাজ্যের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আগামী ১৬ নভেম্বর প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা। বেজে যাবে ভোটের বাদ্যি। সেইদিন থেকেই ভোটার তালিকায় সংশোধনের কাজ শুরু করবে কমিশন। নাম সংযোজন এবং বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর হবে, তারা ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কারও মৃত্যু হলে পূরণ করতে হবে ৭ নম্বর ফর্ম। নামের বানান বা ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য রয়েছে ৮ নং ফর্ম। করোনা প্রোটোকল মেনে গোটা প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। পাশাপাশি কারও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আগে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার কথাও বলা হয়েছে।
গত ৭ আগস্ট একটি নির্দেশিকা জারি করে বুথ পুনর্গঠন, অক্সিলিয়ারি বুথ তৈরি, গোটা পরিবার যাতে একই বুথে ভোট দিতে পারেন সেই প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরকে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এই প্রাথমিক কাজগুলি শেষ করে ফেলতে বলা হয়েছে। এতদিন রাজ্যে প্রতিটি বুথে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হতো। বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে খসড়া ভোটার তালিকার সঙ্গে প্রত্যেক পরিবারের সাবালক সদস্যদের নাম মিলিয়ে দেখতেন। কিন্তু এবার বুথে যেতেও বিশেষ নির্দেশিকা জারি হচ্ছে। প্রতি রবিবার বুথে বুথে বিএলও-রা বসবেন। থাকবেন রাজনৈতিক দলের বুথ লেভেল এজেন্টরাও। গোটা প্রক্রিয়া শেষের পর একমাস আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি হবে। তারপর আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। তার উপর ভিত্তি করেই হবে আগামী বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে, বিহার বিধানসভা ভোটের পাশাপাশি দেশের কিছু আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার মধ্যে রয়েছে ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রও। তবে ফালাকাটা বাদে রাজ্যে বাকি ফাঁকা আসনে ভোট হবে ২০২১ সালের বিধানসভার নির্বাচনের সঙ্গেই। উল্লেখ্য, গত লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের ভোটার সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ৬৩ হাজার ১৫২ জন।